নামাজ এক বৃহৎ আদেশ
হযরত আদম আলাইহিস্ সালাম থেকে শুরু করে যতগুলো আসমানী দ্বীন এসেছে প্রতিটি দ্বীনের জন্যই এক ওয়াক্তের নামাজের বিধান ছিল। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসারীদের জন্য সবগুলো ওয়াক্ত একত্রে ফরজ করা হয়েছে। নামাজ আদায় করা ঈমানের শর্ত নয় তবে নামাজ যে ফরজ এটা বিশ্বাস করা ঈমানের শর্ত ।
নামাজ হলো দ্বীনের স্তম্ভ। নিয়মিত, সঠিক ও পরিপূর্ণরূপে নামাজ আদায়কারী ব্যক্তি নিজের দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করল,ইসলামকে নিজ ভিত্তির উপর স্থাপন করল 'যে নামাজ আদায় করলনা সে নিজের দ্বীনকে ও ইসলামকে ধ্বংস করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নামাজ হলো দ্বীনের মস্তিষ্ক” মস্তিষ্ক ব্যতীত যেমন মানুষ হয় না,নামাজ ব্যতীত তেমনই দ্বীন
হয় না।
ইসলাম ধর্মে নামাজ ঈমানের পরে সর্বপ্রথম ফরজ করা হয়েছে আল্লাহ তা'আলা, বান্দাদের শুধুমাত্র নিজের ইবাদত করার জন্য নামাজকে ফরজ করেছেন। কুরআন শরীফের শতাধিক আয়াতে বলা হয়েছে “তোমরা নামাজ কায়েম কর”' হাদীস শরীফে বলা হয়েছে “আল্লাহ তা’আলা প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে ফরজ করেছেন। গুরুত্ব সহকারে যথাযথভাবে যে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করবে আল্লাহ তা'আলা তাকে জান্নাতে প্রবেশের ব্যাপারে প্রতিজ্ঞা করেছেন”
নামাজ আমাদের ধর্মে অবশ্য পালনীয় যাবতীয় ইবাদতসমূহের মধ্যে সর্বাধিক মূল্যবান। একটি হাদীসে বলা হয়েছে “বেনামাজী ব্যক্তির ইসলাম থেকে কোন প্রাপ্তি নাই”‘অন্য এক হাদীসে বলা হয়েছে “মুমিন ও কাফিরের মাঝে পার্থক্যকারী হলো নামাজ” অর্থাৎ মুমিন নামাজ পড়ে কিন্তু কাফির পড়ে না। আর মুনাফিকরা মাঝেমাঝে পড়ে মাঝেমাঝে পড়ে না। মুনাফিকরা জাহান্নামের কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন “বেনামাজী ব্যক্তি,কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তা'আলাকে রাগান্বিত অবস্থায় পাবে”
নামাজ পড়ার মানে হলো,আল্লাহ তা'আলার বড়ত্বের কথা চিন্তা করে তার সামনে নিজের ক্ষুদ্রতাকে অনুধাবন করা। যে তা অনুধাবন করতে পারে সে সর্বদা পুণ্যের কাজ করে,কোন অনিষ্ঠ সাধন তার পক্ষে সম্ভব নয়। প্রত্যেকদিন পাঁচ বার যে ব্যক্তি নিজ প্রভুর দরবারে উপস্থিত হওয়ার নিয়্যাত করে তার ক্বালব ইখলাসের দ্বারা পূর্ণ হয়। নামাজের মধ্যে পালনের জন্য আদেশকৃত প্রত্যেকটি কাজই দেহ ও মনের জন্য উপকারী।
মসজিদে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করার মাধ্যমে মুসলমানদের ক্বালবসমূহ একে অপরের সাথে সুদৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পরস্পরের মাঝে ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়। প্রত্যেক মুসলমান যে ভাই ভাই তা উপলব্ধি করতে পারে। বড়রা ছোটদের স্নেহ করে। ছোটরা বড়দের সম্মান করে। ধনীরা দরিদ্রদের আর ক্ষমতাবানরা দুর্বলদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। সুস্থ ব্যক্তিরা যখন মসজিদে নিয়মিত জামাতে অংশগ্রহণকারী কোন ব্যক্তিকে অনুপস্থিত দেখে তখন তার খোঁজখবর নেয়। হয়ত তার রোগ হয়ে থাকবে এটা ভেবে তার বাড়িতে যায়। ‘দ্বীনী ভাইয়ের সাহায্যার্থে যে এগিয়ে আসল মহান আল্লাহ্ তা'আলা তার সাহায্যকারী হবেন' এই হাদিস শরীফের দেয়া সুসংবাদ অর্জনের জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়।
নামাজ মানুষকে সকল ধরনের মন্দ কুৎসিত ও নিষিদ্ধ কার্যাবলী থেকে বিরত রাখে। কৃত গুনাহসমূহের কাফফারা হয়। হাদিস শরীফে আছে যে, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ হলো তোমাদের মধ্য থেকে কারো বাড়ির সামনে দিয়ে প্রবাহমান একটি নদীর মত। কেউ যদি ঐ নদীতে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে তবে তার শরীরে যেমন কোন ময়লা থাকতে পারে না,ঠিক তেমনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী ব্যক্তিরও সগীরা গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়'।
মহান আল্লাহ্ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি ঈমানের পরে সর্বোত্তম আমল ও সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো নামাজ। একারণে নামাজ আদায়ের সময়ে এর প্রত্যেকটি ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও মুস্তাহাবকে যথাযথভাবে পালন করা উচিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি হাদিস শরীফে বলেছেন যে, ‘হে আমার উম্মত, যথাযথভাবে আদায়কৃত নামাজ মহান আল্লাহ্ তায়ালার পছন্দনীয় সমস্ত আমলসমূহের মাঝে সর্বোত্তম। নামাজ হলো পয়গম্বরদের সুন্নত ফেরেশতাদের পছন্দনীয় আমল, আসমান ও জমিনের নূর, দেহের শক্তি রিজিকে বরকতের কারণ, দোয়া কবুলের মাধ্যম,মালাকুল মাউত মৃত্যুর দ্বায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতা কে সুপারিশকারী, কবরের আলো, মুন্কার ও নাকিরের কবরে প্রশ্নকারী ফেরেশতাদের জবাব,কিয়ামতের দিবসে মাথার উপরের ছায়া,জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার ঢাল, বিদ্যুতের গতিতে পুলসিরাত অতিক্রমের মাধ্যম, জান্নাতের চাবি ও জান্নাতবাসীর মাথার মুকুট। মহান আল্লাহ্ তায়ালা মুমিনদেরকে নামাজের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ন আর কিছুই দান করেননি। নামাজের চেয়েও উত্তম কোন ইবাদত থাকলে সর্বপ্রথম তা মুমিনদেরকেই দান করতেন। ফেরেশতাদের মাঝ থেকে একদল সৰ্বদা দাঁড়িয়ে ইবাদত করছে একদল রুকু করছে একদল সেজদা করছে আরেক দল তাশাহহুদ পাঠ করছে। মহান আল্লাহ্ এই সমস্ত ইবাদতকে এক রাকাত নামাজের মাঝে একত্রিত করে মুমিনদের উপহার দিয়েছেন। এজন্যই নামাজ ঈমানের মস্তক,দ্বীনের স্তম্ভ ইসলামের কথা ও মুমিনের মিরাজ,গগনের নূর ও জাহান্নাম থেকে রক্ষাকারী।”
একদিন হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ওয়া কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আছরের নামাজ আদায় করতে পারেননি। এই দুঃখে নিজেকে একটি পাহাড় থেকে নিক্ষেপ করলেন। জোরে জোরে কাঁদতে লাগলেন। প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই অবস্থার কথা শুনে সাহাবীদের সঙ্গে নিয়ে হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গেলেন। তার অবস্থা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও কাঁদতে শুরু করলেন এবং তার জন্য দোয়া করলেন। সূর্য পুনরায় ফিরে এল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন, “হে আলী মাথা তোল, দেখ এখন সূর্য দেখা যাচ্ছে'। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু খুব খুশি হলেন এবং নামাজ আদায় করলেন।
হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু এক রাত্রিতে প্রচুর ইবাদত করতে করতে বিতির নামাজ আদায় না করেই ঘুমিয়ে গেলেন। পরে ফজরের নামাজের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অনুসরণ করে মসজিদের দরজার নিকটে এসে তার সামনে কাঁদতে লাগলেন আর বললেন “হে আল্লাহর রাসূল আমায় সাহায্য করুন,বেতেরের নামাজ আদায় করতে পারিনি” । এই কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও কাঁদতে আরম্ভ করলেন। এমতাবস্থায় হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস সালাম এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল সিদ্দীককে বলুন,মহান আল্লাহ্ তা'আলা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন'
অন্যতম বিখ্যাত ওলী হযরত বায়জিদ বোস্তামী কুদ্দিসা সিররুহ একরাত্রিতে গভীরভাবে ঘুমিয়ে থাকার কারণে ফজরের সময়ে জাগতে পারেননি। তিনি ফজরের নামাজ আদায় করতে না পারার কারণে এতটাই কাঁদলেন যে ঐশী বাণী শুনতে পারলেন, “হে বায়জিদ, তোমার গুনাহ ক্ষমা করলাম। আর এই অনুশোচনার কান্নার বরকতে তোমাকে আরো সত্তর হাজার নামাজের সওয়াব প্রদান করলাম'। কয়েক মাস পরে একরাত্রিতে তিনি আবারও গভীর ঘুমে মগ্ন ছিলেন। এমন সময় শয়তান তার পা ধরে ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিল এবং বলল,‘জাগো, নামাজের সময় চলে যাচ্ছে। হযরত বায়জিদ বোস্তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি শয়তানকে বললেন, ‘এই অভিশপ্ত তুমি এমন কাজ কিভাবে করলে তুমিত সর্বদাই চাও যে প্রত্যেকে নামাজ ত্যাগ করুক, নামাজের ওয়াক্ত দ্রুত শেষ হোক। তবে আমাকে কেন জাগিয়ে দিলে’। শয়তান বলল, ‘সেদিন তুমি ফজরের নামাজ আদায় করতে না পারার কারণে কেঁদে কেঁদে সত্তর হাজার নামাজের সওয়াব অর্জন করেছিলে। আজ সেই কথা ভেবে তোমাকে জাগিয়ে দিলাম যেন এক ওয়াক্ত নামাজের সওয়াব পাও। সত্তর হাজার নামাজের সওয়াব থেকে বঞ্চিত হও'।
বিখ্যাত ওলী হযরত জুনাইদ বাগদাদী (র)বলেছেন যে দুনিয়ার এক ঘন্টা পরকালীন হাজার বছরের চেয়েও উত্তম। কেননা এখানকার এক ঘন্টাতে বিশুদ্ধ ও মাকবুল কোন আমল করা সম্ভব কিন্তু পরকালের হাজার বছরে কোন আমল করা সম্ভব হবে না'। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে,‘কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ওয়াক্তের নামাজকে পরের ওয়াক্তের নামাজের সাথে মিলিয়ে ফেলে তবে সে আশি হুকবা জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে থাকবে'। পরকালীন আশি বছরকে এক হুকবা বলা হয়। আর আখিরাতের একদিন এই দুনিয়ার হাজার বছরের সমান ।
অতএব হে আমার দ্বীনী ভাইয়েরা আপনাদের জীবনের মূল্যবান সময়কে ফায়দাহীন কাজে ব্যয় করবেন না। সময়ের মূল্য বুঝতে চেষ্টা করুন। সর্বোত্তম কাজে সময়কে ব্যয় করুন। আমাদের প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন সবচেয়ে বড় মুসিবত হলো,সময়কে ফায়দাহীন কাজে নষ্ট করা'। আপনাদের নামাজসমূহকে ওয়াক্তমত আদায় করুন যাতে হাশরের ময়দানে অনুশোচিত না হয়ে প্রচুর সওয়াব অর্জনের সৌভাগ্য হয়। হাদিস শরীফে বলা হয়েছে ‘কেউ যদি কোন ওয়াক্তের নামাজকে সময়মত আদায় না করে ক্বাযা করে এবং তা আদায়ের পূর্বেই তার মৃত্যু হয় তবে তার কবরে জাহান্নামের দিকের সত্তরটি জানালা খুলে দেয়া হয় এবং সে সেখানে কিয়ামত পর্যন্ত আজাব ভোগ করতে থাকে'। কোন নামাজের ওয়াক্ত হওয়ার পর কেউ যদি জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে ঐ নামাজ আদায় না করে এবং ওয়াক্ত পার হওয়ার সময় নামাজ আদায় করতে না পারার কারণে কোন ধরনের অনুশোচনাও না করে তাহলে সে দ্বীনহীন হয়ে যায় কিংবা ঈমানহীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। এমতাবস্থায় যারা নামাজ আদায়ের কথা স্মরণও করল না, নামাজকে কর্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করল না তাদের কি হবে, নামাজকে অবমূল্যায়ন করলে কর্তব্য হিসেবে মেনে না নিলে যে ব্যক্তি মুরতাদ্ তথা কাফির হয়ে যায় তা চার মাজহাবের সমস্ত আলেম মতৈক্যসহ জানিয়ে দিয়েছেন। হযরত আবদুল গনী নাবলুসী (র) তার ‘ আল হাদিকাতুন নাদীয়া' গ্রন্থের‘কথার বিপদসমূহ' নামক অধ্যায়ে লিখেছেন যে,নামাজকে ইচ্ছাকৃতভাবে আদায় না করে পরবর্তীতে ক্বাযা আদায়ের ব্যাপারেও কোন ধরনের ইচ্ছাপোষণ না করলে এবং এর জন্য যে আযাব ভোগ করতে হবে তা অস্বীকার কিংবা অবজ্ঞা করলে ব্যক্তি মুরতাদ তথা কাফির হয়ে যায়।
হযরত ইমামে রব্বানী মুজাদ্দিদে আলফে সানী র তার ‘মাকতুবাত’ এর প্রথম খন্ডের ২৭৫তম মাকতুবে (পত্রে বলেছেন যে
তোমাদের এই নিয়ামত প্রাপ্তি মূলত, ইসলামিয়্যাতের ইলম্ শিক্ষা ও ফিকহ্’এর হুকুমসমূহের প্রসারের কারণে হয়েছে। পূর্বে এসব স্থানে অজ্ঞতার আখড়া ছিল, অসংখ্য বিদাআতের প্রচলন ছিল। মহান আল্লাহ্ তায়ালা তোমাদেরকে তার প্রিয় বান্দাদের মুহাব্বত দান করেছেন। ইসলামিয়্যাতের প্রচারের ক্ষেত্রে তোমাদেরকে উছিলা তথা মাধ্যম করেছেন। অতএব,দ্বীনের জ্ঞান অর্জনে ও ফিকহের হুকুম-আহকামকে প্রসারের ক্ষেত্রে যথাসাধ্য চেষ্টা কর। এই দুটি বিষয়ই সমস্ত সৌভাগ্যের মূল উন্নতির মাধ্যম ও মুক্তির উপায়। তাই এ ব্যাপারে অত্যাধিক চেষ্টা কর। নিজেকে দ্বীনের খাদেম হিসেবে গড়ে তোল অত্র এলাকার অধিবাসীদের ‘আমর বিল মা'রুফ’ (সৎ কাজের আদেশ) ও ‘নাহী আনিল মুনকার' (অসৎ কাজের নিষেধ করার মাধ্যমে সঠিক পথের দিশা দাও। সূরা মুযাম্মিল এর উনিশতম আয়াতে তাফসীর আলেমদের প্রদত্ত অর্থানুযায়ী)বলা হয়েছে ‘আপন প্রভুর সন্তুষ্টি প্রত্যাশীর জন্য অবশ্যই এতে নসিহত রয়েছে' '
